নিম্ন সম্প্রদায়ের বাংলার দেবদেবীর কথা


   লেখিকা- রিয়া দাস



ছবির উৎস -https://in.pinterest.com/pin/758575130966253411/
মানুষ অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে প্রকৃতির সঙ্গে সংগ্রাম করে চলেছে সেই স্মরণাতীত কাল থেকে। সুপ্রাচীনকালে তথা মানব সভ্যতার আদিম যুগে মানুষ ভেবে নিত তাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রার তথা আপদ-বিপদ, রোগ - ব্যাধি , মৃত্যু ,প্রাকৃতিক দুর্যোগ , বন্যহিংস্র  সবকিছুই মিলেমিশে রয়েছে। তাদের ই জীবনের এসব একটি অঙ্গ। তবে এইসব বিপদের হাত থেকে বাঁচার তাগিদে পৃথক পৃথক "সংহার" এর ভূমিকা ও কল্পিত করেছিল । মূলত জীবনযাত্রাকে নানান প্রতিকূলের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে বিভিন্ন দেবতার উদ্ভব ঘটেছে।  আর এসব কারণের জন্যই পৃথিবীর পশু-পাখি , উদ্ভিদ- লতা, মৃত পূর্বপুরুষ বিভিন্ন সাদৃশ্য জড়পদার্থ।  আর এই বিশ্বাসগুলো মানুষের সমাজের সাথে যুগ-যুগান্তর অতিক্রম করে স্থান করে নিয়েছে।

                  আর এইভাবেই বঙ্গ সংস্কৃতিতে লোকায়েতের  বহু নিদর্শনের  মাধ্যমে বিভিন্ন লৌকিক দেবদেবীরা বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছেন। আর এই সমস্ত লৌকিক দেবদেবীরা  সমাজের  নিম্নতর সীমার বাসিন্দাদের সাথে জড়িত আছে । এদের পূর্বপুরুষরা ছিলেন প্রাচীন বাংলার আদিম অধিবাসী যারা আর্যগণ  কর্তৃক" অন্যব্রত" বা "পতিত" বলে আখ্যায়িত হতেন।এদের ই  বংশধরেরা আজও আমাদের এই বাংলাদেশে  প্রাক আর্য সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে জনগোষ্ঠীর এক বিশাল অংশ বসবাস করছে।
 
                   সাধারণত দরিদ্র , শ্রমজীবী নিম্ন সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনধারণের অন্যতম বিশ্বাস ও সংস্কার এর ই ওপর ভিত্তি করে দেবদেবীর  সৃষ্টি হয়েছে। এই সমস্ত দেবদেবী ও আচার-অনুষ্ঠান বিভিন্ন সময়েও বিভিন্ন জনের কল্পনায় সৃষ্ট  । এই সমস্ত দেব দেবীর পরিচয় পুরানে মেলে না । এগুলোর পরিচয় মেলে দেশীয় সাহিত্যে।

             আমাদের বাংলায় যে সমস্ত মৌলিক দেব দেবীর পরিচয় মেলে , আসলে আদিতে এই সমস্ত দেবদেবীর মূর্তি ছিল না । পরে উচ্চশ্রেণীর সাথে মিশে, ভক্তির সাথে সাথে ভয় প্রবেশ করে মূর্তির কল্পনা এসেছে।  উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ; সুন্দরবনের বনবিধি মাতা, আদিতে  বনবিধি মাটির ঢিবি হিসাবে পূজিত হতো,  আর বর্তমানে বাঘকে নিয়ে এক অপরূপ সুন্দরী মহিলার মূর্তি পরিণত হয়েছে । যাকে আমরা বনবিধি হিসেবে কল্পিত করেছি । এছাড়া এই দেবীর সহিত তাঁর-ই ভ্রাতা সাতাঙ্গলী ও ভক্ত দুখে সাহা থাকে। এছাড়া আরো কিছু লৌকিক দেব দেবীর পরিচয় পাওয়া যায় , যা দক্ষিণরায়, চন্ডী ,শীতলা, সর্পদেবী মনসা, পীর বাবা, ষষ্ঠী মূর্তি, গঙ্গা মূর্তি ইত্যাদি।  আর এইসব মূর্তি গুলো দেখলে মন মুগ্ধতা  হয়ে যায়।  আর এইসব সৌন্দর্যচেতনা পরবর্তী সময়ের সংযোজন । লৌকিক দেবদেবীর অস্তিত্ব কল্পনার  সময়ে মানুষ ছিল খুবই সংশয়াচ্ছন্ন। আর আগেই  বলেছি  এইসব দেবদেবীর পরবর্তী সময়ে মূর্তিতে পরিণত হওয়ার কারণ শুধুই ভয়।  এর মধ্যে কোন ভালোবাসা বা শ্রদ্ধা-ভক্তি নেই।

     
            আমরা সবাই মনে করি লৌকিক দেবদেবী এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্কিত ধর্মাচার আদিম অধিবাসীদের কুসংস্কার ও জাদু বিদ্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিন্তু একটু ভেবেচিন্তে দেখলে বোঝা যাবে এই পূজাচার  একান্তইভাবে নিম্নবর্গ মানুষদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সঙ্গে সংযুক্ত ও সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে , গ্রাম বাংলার নবান্ন উৎসব । যা এই উৎসবটি  শস্যোৎসব। বাংলার কৃষিজীবী সমাজে শস্য উৎপাদনে বিভিন্ন পর্যায়ে যে সকল আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালিত হয় তাদের মধ্যে অন্যতম নবান্ন উৎসব । 'নবান্ন' শব্দের অর্থ নতুন অন্ন। এটি নতুন আমন ধান কাটার পর সেই ধান প্রস্তুত চালের প্রথম রান্না উপলক্ষে সাধারণত অগ্ৰহায়ন  মাসে হয়ে থাকে । আর অতীতে পৌষ সংক্রান্তির দিনে গৃহ দেবতাকে নবান্ন নিবেদন করার প্রথা ছিল ।
                                                                  এছাড়া ঘেঁটু উৎসব,  বাংলার অন্যতম লৌকিক দেবতা ঘেটু ঠাকুরের উদ্দেশ্যে বাৎসরিক পূজা। যা বাংলার ডোলে  সম্প্রদায়ের  প্রধান উৎসব  ছিল । বর্তমানে উচ্চ সম্প্রদায়েও হিন্দু সমাজে মিশে গেছে । বাংলার লোকসংস্কৃতিতে বসন্ত ঋতুতে আবির্ভূত ছোঁয়াচে চর্ম রোগের নিবারণের জন্য ফাল্গুন মাসের সংক্রান্তিতে কাল্পনিক দেবতা ঘেঁটুর  পূজার্চনা  করা হয় । ঘেঁটু বা ঘন্টাকরণ হলেন বাংলার জনসমাজের  ঘৃণাহ এক চর্ম রোগের দেবতা । মঙ্গল দেবতা বিষ্ণুর বিপরীতে এই দেবতার অবস্থান । অনেকটা কালীপুজোর দিন অলক্ষ্মী পূজার মত। এর বৈজ্ঞানিক গুনাগুন প্রচুর। এই ঘেটু ফুল বা ভাটফুল গায়ে বোলালে  চর্ম রোগ সেরে যায় । এছাড়া এর পাতার রস শিশুদের জ্বর থেকে দূর করে। ঘেটু ফুল গুল্মজাতীয়,  বহুবর্ণজীবী অপুষ্পক উদ্ভিদ । বৈজ্ঞানিক নাম "clerondendron viscosum"। যা এটি  গ্রাম বাংলার অতি পরিচিত বুনো উদ্ভিদ।



                      প্রাচীন বাংলার সামাজিক সম্পদের অন্যতম প্রধান উৎস ছিল কৌম কৃষি । কৃষিকাজ তৎকালীন যুগে ছিল অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় ভরা , নানান প্রতিকূলতার হাত থেকে বা কীট পতঙ্গের হাত থেকে   বাংলার মানুষ কল্পনা করেছিলেন নানান লৌকিক দেব দেবতার মোটামুটি তৎকালীন বাংলার কৃষকদের উদ্দেশ্য ছিল উক্ত দেবদেবীর পূজার  মাধ্যমে , কৃষিকার্যকে সংশয়  মুক্ত রাখা, এই সময়  আঞ্চলিক মানুষদের কল্পনায় সৃষ্ট হয়েছে ভাদু, বুড়িমা,  টুসু, বাঘরাই প্রভৃতি লৌকিক দেবদেবী ।



                     লৌকিক দেবদেবীদের  মধ্যে দেবীদের মাহাত্ম্য ই  অপেক্ষাকৃত বেশি । কেননা নারীরাই বংশবৃদ্ধির ক্ষমতার অধিকারী।  তাই ভূমি  উর্বরতা শক্তির  বৃদ্ধিতে বা লাঞ্ছিত ফসল লাভের কামনায় দেবীরাই  অধিকস্বীকৃত।  এছাড়াও  লৌকিক দেবীদের প্রধান্য দেওয়া আরেকটি কারণ হলো,  এইসব দেবীরাও মানব সমাজের দ্বারায়  অত্যাচারিত হয়ে দেবীতে রূপান্তরিত হয়েছে । যেমন উদাহরণস্বরূপ, সুন্দরবনের মাতা বনবিধি ,মাতা বনবিধির লোক কাহিনী অনুসারে মনোরঞ্জন মন্ডল বলেন,  অনেক বছর আগে সুন্দরবনের পাশের  গ্রামের এক স্বামী স্ত্রী বসবাস করত।  সেই মহিলাটির প্রথম কন্যা সন্তান হওয়ায় ,স্বামীটি তার কন্যাকে সুন্দরবনের জঙ্গলে রেখে যান । আর সেই কন্যাটি জঙ্গলের পশুদের কাছে বড় হয়।  আবার সেই মহিলাটির  পুত্র সন্তান হয় । পুত্রটি বড়ো হয়ে দিদিকে খুঁজতে বেড়োয় এবং খুঁজে দিদির সাথেই  থেকে যায় । তারা ভাই বোনে নানান প্রতিকূলতা কাটিয়ে দেব দেবীতে  পরিণত হয়।

                                                           আসানসোলের লৌকিকদেবী ঘাঘরাবুড়ি ও রোশনা বুড়ি । এটি N.H.19 এর ধারে  অবস্থিত । ঘাঘর বুড়ি একটি চন্ডী দেবীর মন্দির। যা এক গরীব  ব্রাহ্মন স্বপ্নাদেশে  আসানসোলের আসান  গাছের ভরা জঙ্গলে এই চন্ডী দেবীর প্রতিষ্ঠা করেন।  এই মন্দিরটি দেবদেবী মাটির ঢিবি। মাটির ঢিবির মধ্যেখানে বায়ে মা  অন্নপূর্ণা,  মাঝখানে মা  ঘাগড়াবুড়ি ও ডানদিকে হচ্ছে বাবা পঞ্চানন । যা ঘাঘড়া বুড়ি  এমন নামকরণের কারণ হল,  মাতা  চন্ডী দেবী বুড়িবেশে ঘাগড়া পড়ে গরিব ব্রাহ্মণের স্বপ্নাদেশে এসেছিল তাই এই দেবীর  নাম ঘাগড়াবুড়ি । ঘাগড়া বুড়ির স্বপ্নাদেশে মন্দিরটি  প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬২০ সালে । বর্তমানে মন্দির প্রতিষ্ঠাতা ও সেবাইত হিসাবে মন্দিরগাত্রে লেখা আছে জায়গীরদার নকঁড়ি রায় ও  রাধাকৃষ্ণ রায়ের  নাম।  কিন্তু ওখানকার স্থায়ী বাসিন্দাদের লোকমুখে শোনা যায়,  সেই গরীব ব্রাহ্মটির  নাম ছিল , কাঙালীচরণ চক্রবর্তী।  কিন্তু তার নাম মন্দিরগাত্রে কোথাও লেখা ছিল না।(সহায়ক; তিলক পুরকায়স্থ ও কৌলাল )।

                    আসানসোলের আরেকটি লৌকিক দেবতা নুনিবুড়ি আর এই  মন্দিরের থানটিকে নুনিবুড়ির থান  বলা হয় । বুড়ি শব্দটি সম্ভবত নির্দেশ করে  আদি যুগের মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ও তখনকার আরাধ্য দেবতা কে।  তবে পরবর্তীকালে ব্রাহ্মণ সংস্কৃতির প্রভাবে অঞ্চলভেদে মা তারার সমার্থক হয়ে যান। এই দেবতা টি একটি শিলাখণ্ড । এই শিলাখণ্ডটিকে সিঁদুর পরিয়ে পূজা করা হয় তবে বর্তমানে সাদা থান পড়া এক বৃদ্ধার মূর্তি রয়েছে । এরকমই পশ্চিম বর্ধমানের করম পুজো , মনসা পূজা, ধর্ম পূজা,গড়বুড়ি,ধরম পূজা , ভাদু, ইত্যাদি রয়েছে। অবশ্য গড়বুড়ির মন্দির এখন মা ভবানেশ্বরীর মন্দিরে মন্দিরে পরিণত হয়েছে । আর এইসব পূজা এখনকার আদি স্থায়ী বাসিন্দার সাঁওতাল, ওরাঁও, ডোম, বাউরি, মুন্ডা ইত্যাদি সম্প্রদায়ের  বাসিন্দারা পূজা করে আসছে।



                                                  এছাড়া বিভিন্ন গাছ-গাছড়া কেও এরা প্রাচীন যুগ থেকে পূজা করে আছে , যেমন,  তুলসী গাছ,  বটগাছ , অশ্বত্থ গাছ ,জাম গাছ,  বাঁশ গাছ , দূর্বা, আম গাছ,  বেল গাছ প্রভৃতি।  তবে ধীরে ধীরে এই গাছগুলিই উচ্চ সম্প্রদায়ের  হিন্দু সমাজেও  প্রবেশ করেছে । অবশ্য হিন্দু সম্প্রদায়ে একদমই গাছ গাছড়াদের   পূজা করা হতো না , তা বলবো না, ।  হিন্দু সম্প্রদায়েও  গাছ গাছড়া  পূজার প্রচলন ছিল।

                                                  আবার বাঁকুড়া জেলার  সাঁওতাল অধ্যুষিত বাঁশকানালী গ্রামে বুদ্ধ পূর্ণিমার পরের পূর্ণিমায়" বাহা-মাঃ মড়ে " এক ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।  'মা' শব্দের অর্থ জাহের আয়ু মা , যিনি আবার সৃষ্টিকর্তা মারাং কুরুর স্ত্রী । আর 'মড়ে' কথার অর্থ পাঁচ অর্থাৎ পাঁচটি দেবদেবীর উদ্দেশ্যে কমপক্ষে পাঁচটি মানসিক করাকেই "বাহা মাঃ মড়ে " বলা হয় । এই পাঁচটি দেবদেবী  হলো , মারাংবুরু, জাহের আয়ু , মড়ে কো তুড়েইক, সেন্ত্রাবঙ্গা ও হারাং বঙ্গা।


                                                 এছাড়া দশহরার দিনে গঙ্গা পূজা ও নৌকো পূজা হয়ে থাকে। এই দিনে গঙ্গা পূজোর ওপর মাঝিরা উপোস থেকে নৌকা পূজা করে। এই পূজায় ব্রাহ্মণ লাগে না, মাঝির ঘরের স্ত্রীরা পূজা করে থাকে।

                                                 এবার নিম্নবর্গের দেবদেবীর প্রতি উচ্চবর্ণের মানুষের মনোভাবের আলোচনা একটা প্রয়োজন আছে । প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে বর্তমান যুগ পর্যন্ত উচ্চবর্ণের যে দেবদেবী , তা একান্ত ভাবেই  আর্য ব্রাহ্মণ্য ধর্ম আশ্রিত এবং সংস্কৃতির গভীরতা ও ব্যাপকতার  দিক থেকে একান্ত মুষ্টিমেয় মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ লৌকিক দেব দেবীদের উচ্চবর্ণের দেব-দেবীরা একান্তভাবেই গ্রাস করে নিয়েছে।  যেমন ধর্মঠাকুর শিব এ রূপায়ন  হয়েছে।  যেখানে ব্রাহ্মণ পুরোহিতরা  ছাড়া আর কেউ পুজো করতে পারতোনা।  নিম্নবর্গের মানুষের দেবদেবীকে উচ্চবর্ণের মানুষ যেভাবে গ্রাস করেছে,  তার  যথেষ্ট প্রমাণ হলো দেব দেবীর বাহন । নিম্নমানের মানুষরা  পশু পাখিদের ও দেব দেবী হিসেবে পূজিত করতেন। আর পরবর্তীকালে এই সব দেব দেবীর বাহনে রূপায়িত হয়েছে । যেমন– দেবী দুর্গার সিংহ , মা কালীর শিয়াল ও সাপ, শিবের ষাঁড় ও সাপ, গনেশের ইঁদুর, কার্তিকের ময়ূর, লক্ষ্মীর পেঁচা, সরস্বতী হাঁস,  বিশ্বকর্মার হাতি প্রভৃতি। অর্থাৎ এর থেকে  আরো বোঝা যায় নিম্নবর্ণের  মানুষরা গোষ্ঠী ভিত্তিক টোটেম। উচ্চবর্ণের সংস্কৃতি নিম্নবর্ণের সংস্কৃতির ওপর যে চেপে  বসেছে , তাঁরই একটা উজ্জ্বলতম ছিল।


তথ্যসূত্রঃ
(১) বাংলাদেশের ইতিহাস –রমেশচন্দ্র মজুমদার।
(২) "মায়ের দোয়া"-র শিকড় সন্ধানে: পঞ্চম পর্ব-সোহেল ইমাম,(URL)।
(৩) লোকায়ত দর্শনঃ দেবী প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়,১৩৬৩ ব.।নিউ এজ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা।
(৪) বাহা-মা-মড়ে উৎসব সারদীঃ কৌলাল,ডঃ তিলক পুরকায়স্থ (URL)।
(৫) বাংলা বাঙালির বিবর্তনঃ ডঃ অতুল সুর ২০০৮, সাহিত্য লোক, কলকাতা,৪র্থ সংস্করন।
(৬) আসানসোলের মহকুমার লৌকিক দেবী-বুড়ি ;- ডঃ তিলক পুরকায়স্থ (URL)।
(৭) দশহরায় গঙ্গা পূজা ও নৌকা পূজা- কৌলাল (URL)।
(৮) আসানসোলের লৌকিক দেবী : ঘাঘর বুড়ি ও রোশনা বুড়ি, ডঃ তিলক পুরকায়স্থ– কৌলালের (URL).

Comments

  1. খুব ভালো তথ্যসমৃদ্ধ লেখা।

    ReplyDelete
  2. Apnader patrikhai ki Tripura r etihash niye lakha Jabe...

    ReplyDelete

  3. নিম্ন সম্প্রদায় না-বলে বাংলার প্রান্তিক শ্রেণীর লৌকিক দেবদেবী বললে বোধহয় আরও ভাল হতো।

    ReplyDelete
  4. আচ্ছা বনবিধি হবে না। ওটা বনবিবি হবে।

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির ইতিহাস

বঙ্গে বর্গি আক্রমণ ও ধ্বংসাত্মক ফলশ্রুতি

কৃষ্ণনগরের সরভাজা ও সরপুরিয়ার ইতিহাস